Business is booming.

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা চায় যুক্তরাষ্ট্র

শপথ গ্রহণের মাত্র দুইদিন পর মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে শনিবার সৌদি আরব পৌঁছান সিআইএ’র সাবেক পরিচালক পম্পেও।

সেখানে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবাইর তাকে স্বাগত জানান। সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন পম্পেও।

রিয়াদ থেকে তার ইসরায়েল ও জর্ডান যাওয়ার কথা রয়েছে।

পম্পেওর সফরসঙ্গী ব্রায়ান হুক বলেন, “আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানাচ্ছি। এটি ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশও বটে।”

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে শনিবার সৌদি আরবে একজন নিহত হন।

হুক বলেন, নিশ্চিতভাবেই হুতি বিদ্রোহীরা তেহরানের কাছ থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে।

তিনি বলেন, “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে ভুগতে হচ্ছে। তারা আমাদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের জন্য তারা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

২০১৫ সালে ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির ছয় দেশের সঙ্গে তেহরানের একটি চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী আগামী অন্তত ১০ বছরের জন্য ইরান তাদের পরমাণু প্রকল্পের লাগাম টেনে ধরবে, বিনিময়ে দেশটির উপর থেকে ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প ওই চুক্তির আওতায় পড়ে না।

ট্রাম্প বরাবরই ইরান পরমাণু ‍চুক্তিকে ‘সবচেয়ে খারাপ চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করে এসেছেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রকে তিনি ওই চুক্তি থেকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

যদি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি চুক্তির বিষয়বস্তু নতুন করে ঠিক করতে রাজি না হয় তবে ইরানের উপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়া, চীন, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য মনে করে, ইরানের পরমাণু বোমা বানানো আটকাতে ওই চুক্তি সব থেকে উত্তম পথ।

Loading...
You might also like