Business is booming.

দাম্পত্য জীবনে আনুন নতুনত্ব

(প্রিয়.কম) আপনার একঘেয়েমি লাইফ স্টাইল দাম্পত্য জীবনে ডেকে আনতে পারে অশান্তি। ইদানীং আমরা বড্ড যান্ত্রিক হয়ে গেছি। নিজেদের দিকে তাকানোর মতো সময়ও আমাদের হয়ে ওঠে না। কিন্তু দাম্পত্য জীবনটিকে ছকে বেঁধে ফেললে সেখানে সুখ অলীক বস্তু হয়ে যায়। বৃদ্ধি পায় কলহ, সৃষ্টি হয় পরকীয়ার। তাই আসুন জেনে নেই কীভাবে দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি দূর করে নতুনত্ব আনা যায়।

কিছুটা সময় রাখুন শুধু নিজের জন্য। যে সময়টিতে আপনি আয়নায় বসবেন, একটু ভিন্নভাবে নিজেকে স্বামী কিংবা স্ত্রীর সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনবোধে সাজুন। রাঙিয়ে তুলুন নিজেকে। সম্পূর্ণ নতুন রূপে হাজির হোন স্বামী কিংবা স্ত্রীর সামনে।

মাঝে মাঝে ঘুমানোর আগে দুজনে মিলে কোনো রোমান্টিক মুভি দেখুন। কিংবা আপনাদের বিয়ের ভিডিও থাকলে, সেটা আবার দেখুন। বিয়ের পরমুহূর্তের স্মৃতিগুলো মনে করার চেষ্টা করুন। দুজন  দুজনকে শেয়ার করুন বিয়ে-পরবর্তী কোনো মজার বিষয়।

সেক্সুয়াল লাইফেও পরিবর্তন আনুন। সেক্সের স্টাইল পরিবর্তন করুন। নতুন কোনো স্টাইল বেছে নিন। প্রয়োজনবোধে কামসূত্রের সাহায্য নিন। ফোরপ্লে করুন বেশি সময় ধরে। দুজন দুজনকে নতুন করে  আবিষ্কার করুন। ঠিক বিয়ের পরবর্তী মুহূর্তগুলোর মতো। ভোরবেলায় সেক্স আপনাকে সারাটি দিন ফুরফুরে রাখবে। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সেক্সুয়াল রিলেশন করুন।

ছুটির দিন রোমান্টিক গান ছাড়ুন কিছুটা উচ্চ ভলিউমে। বেরিয়ে পড়ুন সবাই মিলে। প্রকৃতিতে মিশে যান কিছু সময়ের জন্য। প্রয়োজনবোধে সেদিনটি বাইরেই খাওয়া-দাওয়া সেরে ফেলুন। দুপুরে বসে পুরোনো ছবির অ্যালবাম দেখুন। অথবা সামাজিক হাসির কিংবা রোমান্টিক কোনো মুভি দেখুন।

মাঝে মাঝে ঘরের আসবাবপত্রের স্থান পরিবর্তন করুন। এতে আপনার মুডে কিছুটা ভিন্নতা আসবে। সবকিছু নতুন মনে হবে।

উৎসবের দিনগুলোতে দুজন দুজনার জন্য সাধ্যমতো উপহার কিনুন। উপহার দিন জীবনসঙ্গীকে। ভালোবাসার উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

সম্ভব হলে, মাঝে মাঝে স্বামী কিংবা স্ত্রী আলাদাভাবে বেড়াতে যান ক’দিনের জন্য। নিজেদের অভাব নিজেদের বোঝার সুযোগ দিন। তাহলে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও কাছের মানুষটিকে বলুন, তোমাকে ভালোবাসি। তোমাকে পেয়ে আমার জীবন পরিপূর্ণ হয়েছে। একে অপরের প্রশংসা করুন, যতটুকু পারা যায়। কেউ কাউকে ছোট করে দেখবেন না, কিংবা কোনো দুর্বলতা নিয়ে তামাসা করবেন না।

প্রিয় লাইফ/আজাদ চৌধুরী

 

Loading...
You might also like