Business is booming.

দেশে বজ্রাঘাতে গেল ১২ প্রাণ

(ইউএনবি) দেশের ছয় জেলায় রবিবার (২৯ এপ্রিল) বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

২৯ এপ্রিল, বজ্রপাতের আঘাতে সিরাজগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মাগুরা, নোয়াখালী, রাঙামাটি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণহানির এ ঘটনা ঘটে।

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জে কামারখন্দ, শাহজাদপুর ও কাজিপুর উপজেলায় বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় যমুনা নদীর তীরবর্তী চরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে বাবা শামছুল মণ্ডল (৫৪)ও তার ছেলে আরমানের (১৪) করুণ মৃত্যু হয়। কামারখন্দের পেস্তক কুড়াগ্রামের মৃত আহের মণ্ডলের ছেলে কাদের হোসেন (৩৭) বৃষ্টির সময় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।

এদিন দুপুরে উপজেলা কার্যালয়ের সামনে বজ্রপাতে শাহজাদপুর উপজেলায় ছয়আনিপাড়া মহল্লার ফারুক হাসানের ছেলে নাবিল হোসেন (১৮) এবং রাশেদুল হাসানের ছেলে পলিং হোসেন (১৬) নিহত হয়।

এদিকে নোয়াখালীতে সকাল ১১টার দিকে খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্র ইকবাল হাসনাত (১৫) নিহত হয়। সে নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার পূর্ব লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

মাগুরায় রবিবার দুপুর ১২টায় সদর উপজেলায় বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রের আঘাতে তিনজন নিহত হয়।নিহতরা হলেন- মাগুরা সদর উপজেলার বুলুগ্রামের আলম (৩৫), আড়াইসাত গ্রামের শিবানন্দ (৪০) ও মেহেদী (১৮)।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় মানসুরা বেগম (৩২) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন জানান, সকাল ১০টার দিকে মাঠ থেকে গবাদি পশু আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে মারা যান মানসুরা বেগম।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় লিটন মিয়া (৩০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বজ্রপাতে আবদুর রহিম (৪৮) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা আরেক শ্রমিক আহত হন। রবিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার মুগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

Loading...
You might also like