Business is booming.

জয়ের জন্য কলকাতার দরকার ১৭৬ রান

শেষ ওভারে দু’টি ছক্কাসহ ১৬ রান তোলে আরসিবি৷ সুতরাং নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৭৫ রান৷ জয়ের জন্য কলকাতার দরকার ১৭৬৷

১৯ ওভার শেষে কোহলিব্রিগড- ১৫৯/৪

৩৭বলে অর্ধশতরান বিরাটের৷ ১৮ ওভার শেষে আরসিবি- ১৫০/৪

আউট মননদীপ, বাউন্ডারি লাইনের ধারে দুর্দান্ত ক্যাচ মাভির! ম্যাচে তিন উইকেট নিলেন রাসেল, জন্মদিনে বল হাতে জ্বলে উঠলেন ক্যারিবিয়ান বোলার৷

৪২ বলে ৫২ রানের পার্টনারশিপ বিরাট- মননদীপের, ১৭ ওভার শেষে আরসিবি-১৩৩/৩

১৪ ওভার শেষে ব্যাঙ্গালুরু- ১০০/৩,কোহলি ব্যাটিং-২০ রান, মনদীপ সিং-৬ রান৷ অস্ট্রেলিয়ান পেসার জনসন ছাড়া নাইটশিবিরের প্রত্যেকেই আঁটোসাঁটো বোলিং করছেন৷ জনসন দু’ওভারে খরচ করলেন ২৩ রান৷

১২ ওভার শেষে কোহলিব্রিগেড- ৮৮/৩, কোহলি ব্যাটিং- ১২ রান, মনদীপ-৩ রান৷

আউট!!! মনন ভোরাকে বোল্ড করলেন রাসেল৷ দশ ওভার শেষে আরসিবি- ৭৫/৩

আউট ম্যাকালাম, আন্দ্রে রাসেলের বলে দীনেশের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন আরসিবি ওপেনার৷

৯ ওভার শেষে আরসিবি- ৭০/১৷ আরসিবি প্রথম উইকেটটি তুলে নিলেন কুলদীপ যাদব৷ কুন্টন ডি’কককে শুভমন গিলের হাতে ক্যাচ করালেন কুলদীপ৷ কুন্টন আউট ২৯ রানে৷

পাওয়ার প্লে’র ছয় ওভার শেষে কোহলিব্রিগেড- ৪০/০৷

পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভার শিভম মাভিকে নিয়ে এলেন দীনেশ৷ শিভমের গতির সামনে আরসিবি’র ওপেনাররা সমস্যায় পড়ে কিনা সেটাই এখন দেখার

৫ ওভার শেষে কোহলি অ্যান্ড ব্রিগেড- ৩৬/০, ডি’কক ২৩ রান, ম্যাকালাম-১১ রান৷

 ৪ ওভারে ছয় রান খরচ করলেন পীযূষ, আরসিবি-২৯/০

৩ ওভার শেষে বিরাটব্রিগেড-২৩/০

২ ওভার শেষে আরসিবি’র স্কোর- ৯/০

ইনিংসের প্রথম চার এল কুন্টন ডি’ককের ব্যাট থেকে৷ নারিনকে স্কোয়ার লেগে চার মারলেন ডি’কক (১.৩ ওভার)৷ পরের বলে সুইপ করে ফের চার হাঁকালেন ডি’কক৷ নারিনের ওভার থেকে আরসিবি’র সংগ্রহ ৮রান৷

পাওয়ার প্লে’তে জোড়া স্পিন আক্রমণ নাইটদের, দ্বিতীয় ওভারে নারিনের হাত বল ধরালেন দীনেশ৷

১ ওভার শেষে, আরসিবি- ১/০, নাইটদের হয়ে পীযূষ প্রথম ওভারে খরচ করলেন মাত্র এক রান৷

কুন্টন ডি’ককের সঙ্গে আরসিবি’র হয়ে ওপেনিং ম্যাকালাম

টস জিতে কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে বোলিং নিল কেকেআর৷ ব্যাঙ্গালুরু দলে নেই এবিডি৷ ডিভিলিয়ার্সের পরিবর্তে নাইটদের বিরুদ্ধে ম্যাচে টিম সাউদিকে দলে নিয়েছে আরসিবি৷ অন্যদিকে পবন নেগির পরিবর্তে মনন ভোরা ও ওয়াশিংটন সুন্দরের বদলে মুরগান অশ্বিনকে দলে নিলেন কোহলি৷ জ্বর থাকায় এদিন এবিডি’কে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ কোরি অ্যান্ডারসনের বদলে দলে ফিরলেন ম্যাকালাম৷

নাইট রাইডার্স এদিন দিল্লি ম্যাচের কম্বিনেশন নিয়েই মাঠে নামল৷ সাত ম্যাচের মধ্যে তিনটি ম্যাচ জিতেছে দীনেশের নাইটব্রিগেড৷ অন্যদিকে ছয় ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছে বিরাটের ব্যাঙ্গালুরু৷

©Kolkata24x7 এই নিউজ পোর্টাল থেকে প্রতিবেদন নকল করা দন্ডনীয় অপরাধ৷ প্রতিবেদন ‘নকল’ করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে
—-

—-

Loading...
You might also like